অ্যাপশহর

৩ ভারতীয় ভূখণ্ড-সহ নয়া মানচিত্রে সিলমোহর নেপালের সংসদের

বৃহস্পতিবার নেপালের সংসদের উচ্চকক্ষেও পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত মানচিত্র সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধন বিল। তিনটি ভারতীয় ভূখণ্ড নিজেদের এলাকা দাবি করে নয়া মানচিত্র তৈরি করেছে নেপাল। নেপালের জাতীয় প্রতীকে (National Emblem) নয়া রাজনৈতিক মানচিত্র অন্তর্ভূক্ত করার জন্য নয়া বিল।

EiSamay.Com 18 Jun 2020, 4:53 pm
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ আরও উচ্চগ্রামে নিয়ে গেল নেপাল। বৃহস্পতিবার সে দেশের সংসদের উচ্চকক্ষ অর্থাৎ জাতীয় সভা'তেও (National Assembly) পাশ হয়ে গেল নতুন মানচিত্র বিল। ভারতের তিনটি ভূখণ্ড উত্তরাখণ্ডের লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি ও লিপুলেখকে নিজেদের দাবি করে নয়া মানচিত্র তৈরি করেছে নেপালের কমিউনিস্ট সরকার। বিতর্কিত সেই মানচিত্রে এদিন সবুজ সংকেত দিল নেপালের সংসদের উচ্চকক্ষ। পরবর্তী পর্যায়ে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলে নেপালের সমস্ত রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কাজে নয়া মানচিত্র ব্যবহৃত হবে।
EiSamay.Com nepal
নেপাল সংসদের উচ্চকক্ষ


গত শনিবার নেপাল সংসদের নিম্নকক্ষ অর্থাৎ জনপ্রতিনিধি সভায় নয়া মানচিত্র বিল পাশ হওয়ার পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানায় ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। উত্তরাখণ্ডের যে তিনটি অঞ্চলকে নেপালে এখন নিজেদের বলে দাবি করছে তার কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই বলে সেদিনই সাফ জানিয়েছিল নয়াদিল্লি। পাশাপাশি ওই অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেও বিদেশ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার নেপাল সংসদের জাতীয় সভা বা উচ্চকক্ষে সর্বসম্মতভাবে সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ হয়ে যায়। সে দেশের জাতীয় প্রতীকে (National Emblem) নয়া রাজনৈতিক মানচিত্র অন্তর্ভূক্ত করার জন্য নয়া বিল আনা হয়েছে। এ দিন ভোটাভুটির সময় সভায় উপস্থিত ৫৭ জনের সকলেই বিলটিকে সমর্থন করেন।

গত ৮ মে লিপুলেখ গিরিপথ থেকে কৈলাস মানস সরোবরে যাওয়ার নয়া ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তার উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর পরেই ভারত এবং নেপালের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। এই রাস্তা উদ্বোধনের প্রতিবাদ জানায় কাঠমান্ডু। এরপরই নতুন মানচিত্র প্রকাশে উদ্যোগী হয় তারা। নতুন মানচিত্রে ভারত-নেপাল সীমান্তের লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি ও লিপুলেখকে নেপালের অংশ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় এলাকা অন্তর্ভুক্ত করে নতুন ম্যাপ পাশ নেপালে!

পর্যবেক্ষক মহলের মতে, সীমান্ত নিয়ে কাঠমান্ডুর সাম্প্রতিক এই অতিসক্রিয়তার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে চিন। কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নেপালের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। তারই ফলশ্রুতিতে ওলি সরকারের এই সক্রিয়তা বলেই মনে করা হচ্ছে।

পরের খবর

Worldসম্পর্কে আরও বিস্তারিত ও নতুন খবর জানতে ক্লিক করুন। সব ধরনের ব্রেকিং, আপডেট এবং বিশ্লেষণ সবার প্রথম বাংলায় পড়তে ক্লিক করুন Bengali Newsএই সময় ডিজিটাল