অ্যাপশহর

আইআইটি খড়্গপুরের হাসপাতাল এখন কোয়ারানটিন সেন্টার

দুই তলা মিলিয়ে প্রায় ৯২০০ বর্গ মিটার এলাকার ওই হাসপাতালে প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল জুন-জুলাইয়ের মধ্যে। সেখানে শয্যারসংখ্যা ৪০০। এ ছাড়া কার্ডিয়োলজি, কার্ডিয়াক সার্জারি, নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, অর্থোপেডিক্স-সহ ন'টি বিভাগের ওপিডির যাত্রা শুরুর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। পরে ৩৫০ শয্যা নিয়ে শুরু হওয়ার কথা ছিল দ্বিতীয় পর্যায়ের। কিন্তু সে সবই আপাতত থমকে।

EiSamay.Com 5 May 2020, 9:56 pm
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউন ঘোষণার পরই অন্য রাজ্য থেকে বাংলা-সীমানায় হাজির হয়েছিলেন শ'তিনেক মানুষ। কিন্তু এত লোকের কোভিড পরীক্ষা হবে কোথায়? অথচ পরীক্ষা না-করে তাঁদের রাজ্যের ভিতরে ঢোকার অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। তা হলে উপায়? এমন এক পর্বে নিজেদের সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালকে কোয়ারান্টিন সেন্টার হিসেবে ব্যবহারে সায় দিয়ে জেলা প্রশাসনের পাশে দাঁড়িয়েছে আইআইটি খড়্গপুর।
EiSamay.Com iit-kgp_ed
-


দুই তলা মিলিয়ে প্রায় ৯২০০ বর্গ মিটার এলাকার ওই হাসপাতালে প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল জুন-জুলাইয়ের মধ্যে। সেখানে শয্যারসংখ্যা ৪০০। এ ছাড়া কার্ডিয়োলজি, কার্ডিয়াক সার্জারি, নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, অর্থোপেডিক্স-সহ ন'টি বিভাগের ওপিডির যাত্রা শুরুর প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। পরে ৩৫০ শয্যা নিয়ে শুরু হওয়ার কথা ছিল দ্বিতীয় পর্যায়ের। কিন্তু সে সবই আপাতত থমকে।

জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, 'লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পরে শ'তিনেক মানুষ এখানে রাজ্যের সীমানায় আটকে পড়েন। কিন্তু কোভিড পরীক্ষা ছাড়া তাঁদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া যাচ্ছিল না। আমরা দিনে ৫০টির বেশি টেস্টও করতে পারছিলাম না। তা হলে বাকিদের কী হবে? হাসপাতালটি সেই সমস্যার সুরাহা করেছে।'

আইআইটি-র অধিকর্তা বীরেন্দ্র কুমার তিওয়ারি বলেন, 'জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরে অবস্থিত এই হাসপাতাল। তাই বাইরের রাজ্য থেকে আগতদের রাখার ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা হয়নি।' ভবিষ্যতেও ওই হাসপাতালকে কোয়ারান্টিন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হবে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।

পরের খবর

West bengal newsসম্পর্কে আরও বিস্তারিত ও নতুন খবর জানতে ক্লিক করুন। সব ধরনের ব্রেকিং, আপডেট এবং বিশ্লেষণ সবার প্রথম বাংলায় পড়তে ক্লিক করুন Bengali Newsএই সময় ডিজিটাল