অ্যাপশহর

ফ্যানস ক্লাবের পেজে শতাব্দীর নামে পোষ্ট ঘিরে জোর জল্পনা

'নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ২০০৯ সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব।'

Ei Samay 15 Jan 2021, 10:10 am
এই সময়, সিউড়ি: একটা পোস্ট। তা ঘিরেই একাধিক জল্পনা। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বীরভূমের অভিনেত্রী-সাংসদ শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাবের পেজে একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। একমাসও হয়নি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বোলপুরের পদযাত্রায় হেঁটেছিলেন শতাব্দী। কিন্তু এদিনের বিতর্কিত পোস্টের পর থেকে তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। ফলে শাসক দলকে অস্বস্তিতে ফেলা পোস্টটি ফেক কি না তাও জানা সম্ভব হয়নি।
EiSamay.Com Satabdi Roy
বীরভূমের অভিনেত্রী-সাংসদ শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাবের পেজে একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য


কী লেখা হয়েছে পেজের ওয়ালে?

শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাবের নামে খোলা পেজে সাংসদের বয়ানে করা পোস্টে বলা হয়েছে, 'এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়।' আক্ষেপের সুরে লেখা হয়েছে, 'নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ২০০৯ সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব।' এখানেই শেষ নয়। শতাব্দী মনে করিয়ে দিয়েছেন, সাংসদ হওয়ার অনেক আগে থেকে বাংলার মানুষ তাঁকে অভিনেত্রী হিসেবে চেনেন৷ গত দশ বছরে নিজের বাড়ির থেকেও সাংসদীয় এলাকার মানুষের সঙ্গে বেশি সময় কাটিয়েছেন তিনি৷ শেষে সাংসদ লিখেছেন, কোনও সিদ্ধান্ত নিলে আগামী ১৬ জানুয়ারি বেলা দুটোয় তিনি জানাবেন৷

তাহলে জেলাতে কার সঙ্গে সমস্যা হচ্ছে তাঁর? এই প্রশ্ন নিয়ে বিস্তর জল্পনা শুরু হলে যোগাযোগ করা সত্ত্বেও সাংসদকে পাওয়া যায়নি। তিনি এসএমএস বা হোয়াটস অ্যাপের উত্তরও দেননি। কিন্তু এই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যেতেই মুখ খোলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। জেলার রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই সাংসদের সঙ্গে সভাপতির ঠান্ডা লড়াইয়ের কথা শোনা যায়। শতাব্দী রায়কে দীর্ঘদিন অনুব্রতর ধারে কাছে সেভাবে দেখা যায়নি। বরং জেলার অন্য সাংসদ বোলপুরের অসিত মাল সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। যা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন সময়। জেলা সভাপতি অনুব্রত এদিন বলেন, 'যাকে জানাবে জানাক। দলের চেয়ারপার্সন তো আমি নই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে জানালে তিনি যা ভালো বুঝবেন করবেন। আমি চাষার ঘরের ছেলে। অত ভনিতা, ইঙ্গিত বুঝি না। সরাসরি কথা বলি।'


এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন-

পরের খবর

West bengal newsসম্পর্কে আরও বিস্তারিত ও নতুন খবর জানতে ক্লিক করুন। সব ধরনের ব্রেকিং, আপডেট এবং বিশ্লেষণ সবার প্রথম বাংলায় পড়তে ক্লিক করুন Bengali Newsএই সময় ডিজিটাল