অ্যাপশহর

বয়স যেন ছুঁতে পারেনি 'ম্যায়নে প্যার কিয়া' ছবির নায়িকাকে, Bhagyashree-র রোজ ডায়েটে কী থাকে জানুন...

Bhagyashree-র ফিটনেসের জন্য আজও তিনি সংবাদ শিরোনামে রয়েছেন। ৫২ বছরে পদার্পন করেও আজও অপরূপা। অভিনেত্রীর ডায়েট চার্টে কী কী থাকে? দেখে নিন-

Curated byশ্রাবণী অধিকারী | EiSamay.Com 26 Aug 2021, 3:46 pm
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স যেন ছুঁতে পারেনি বলিউড অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীকে। ৫২ বছরে পদার্পন করেও আজও অপরূপা তিনি। সলমন খানের বিপরীতে ১৯৮৯ সালে বলিউডে অভিষেক ঘটে ভাগ্যশ্রীর। শুরুতেই ব্লকবাস্টার হিট। ঘরে ঘরে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন Bhagyashree।
EiSamay.Com peas should be a part of your diet actress bhagyashree speaks about the health benefits of peas
বয়স যেন ছুঁতে পারেনি 'ম্যায়নে প্যার কিয়া' ছবির নায়িকাকে, Bhagyashree-র রোজ ডায়েটে কী থাকে জানুন...


Bhagyashree-র ফিটনেসের জন্য আজও তিনি সংবাদ শিরোনামে রয়েছেন। কখনও কখনও তিনি তাঁর ওয়ার্কআউটের ভিডিয়োগুলি ভাগ করে নেন। কখনও বা আয়ুর্বেদিক ঘরোয়া প্রতিকার ভাগ করে নেন লক্ষ লক্ষ ভক্তদের সঙ্গে। স্বাস্থ্যকর খাবার এবং শাকসবজির উপকারিতা সম্পর্কে অনুগামীদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সম্প্রতি, ভাগ্যশ্রী একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন যেখানে তিনি মটরশুটি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, প্রোটিনের একটি বড় উৎস এই মটরশুটি। অভিনেত্রী এই সবুজ মটরকে পুষ্টির রত্ন বলে অ্যাখা দিয়েছেন। আসুন জেনে নিন কেন ভাগ্যশ্রী ডায়েটে মটর অন্তর্ভুক্ত করতে বলেছেন-

রত্নের সঙ্গে তুলনা করেছেন মটরকে

View this post on Instagram A post shared by Bhagyashree (@bhagyashree.online)

মটরের গুণাবলী জানিয়েছেন অভিনেত্রী

ভাগ্যশ্রী ভিডিয়োর ক্যাপশনে লিখেছেন, 'নিরামিষভোজীদের প্রোটিনের ভালো উৎস এই Green Pea। মটর পুষ্টির সেই রত্ন যা প্রায়শই বেশিরভাগ ভারতীয় খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। যে কোনও সবজিতে দেখতে সমৃদ্ধ করে এই মটরশুঁটি। আমিষাশী হোন বা নিরামিষাশী। শরীরের জন্য প্রোটিন মাস্ট। প্রোটিন না পেলে শরীরের দফারফা। কম দামেই সেই প্রোটিনের জোগান মেটাতে মটরশুঁটিই একমাত্র ভরসা।

মটর কেন উপকারী?

সবুজ মটরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ-বিরোধী গুণে সমৃদ্ধ। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় প্রায় সব পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এ ছাড়া এটি ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ওমেগা,, ফ্যাট এবং জিঙ্কের গুণেও সমৃদ্ধ। এটি ফাইবার, ফ্ল্যাভোনয়েডস, স্টার্চ এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। এমন অবস্থায় মটর খেয়ে শরীরের প্রায় সব পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। মটর দস্তা এবং ভিটামিন এ, বি, সি, ই, কে এরও ভালো উৎস। একবাটি মটরশুঁটি। দাম কম। পুষ্টি ষোলো আনা। এমনটাই বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। মটরশুঁটিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামেটরি, যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধ করে। শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দেয়। ফলে, বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হয়।

মটর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, চোখ এবং হজমের জন্য ভালো

অভিনেত্রীর মতে, খুব কম মানুষই জানেন যে মটর এত ভিটামিন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে। এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপায়ে উপকারী। মটর সেবন আপনার হজম স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং আপনার দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়। এর পাশাপাশি, আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মটর চমৎকার খাদ্য।

মটরশুঁটি স্থূলতা এবং টাইপ -২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমায়

ফাইবারের উৎস এই সবজি, মটর অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে হজম স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। যেহেতু বেশিরভাগ ফাইবার দ্রবণীয় তাই এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। ফাইবার বিপাকীয় স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলে বিবেচিত হয় কারণ এটি টাইপ 2 ডায়াবিটিস এবং স্থূলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। মটর একটি কম গ্লাইসেমিক সূচক খাদ্য হিসাবে পরিচিত, তাই নিশ্চিত করুন যে রক্তে শর্করার মাত্রায় কোনও বৃদ্ধি নেই।

সবুজ মটর খাওয়ার আরও উপকারিতা

  1. সবুজ মটরশুটিতে রয়েছে ফ্ল্যাভোনয়েডস, আলফা ক্যারোটিন এবং বিটা ক্যারোটিন।
  2. এই সমস্ত উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সহায়ক।
  3. সবুজ মটরে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যাকে বলা হয় কোলেস্টেরল।
  4. এই উপাদানগুলো কোলন ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক।
  5. মটর ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং প্রয়োজনীয় খনিজের উৎস, যা হার্টের জন্যও ভালো বলে জানা যায়।
  6. মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়।কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা নিরাময়ে এটি খুবই উপকারী।
  7. জয়েন্টের ব্যথা এবং তাদের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা দূর করতেও মটর খুব উপকারী।
  8. এতে উপস্থিত ভিটামিন সি, ভিটামিন-ই এবং ওমেগা-3 ফ্যাটের মতো পুষ্টি উপাদানগুলো জয়েন্ট সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
  9. মটর খেলে শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং ক্যালোরি খুব কম হয়, তাই যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্যও এটি উপকারী।
লেখকের সম্পর্কে জানুন
শ্রাবণী অধিকারী
"শ্রাবণী অধিকারী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ১২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি একজন বিশিষ্ট লেখক এবং সম্পাদক। তাঁর কর্মজীবন শুরু হয় একজন সাব এডিটর হিসাবে। শ্রাবণীর ব্যতিক্রমী লেখা এবং সম্পাদনা নৈপুণ্যতার প্রকাশ পায়। সংবাদ এবং লাইফস্টাইল-সহ বিভিন্ন বিভাগ পরিচালনায় তাঁর যথেষ্ট দক্ষতা রয়েছে। সহজ ও মনোগ্রাহী শব্দের ব্যবহারে শ্রাবণীর লেখা পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। যে কোনও বিষয়কে পাঠকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাঁর লেখা বহুমুখী যা পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে। লেখার মাধ্যমে কী ভাবে পাঠকের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায় তা তাঁর লেখনীতে প্রকাশ পায়। শ্রাবণী গত ৩ বছর ধরে একটি শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনার লাইফস্টাইল বিভাগ পরিচালনা করে আসছেন। এই বিভাগে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং সৃজনশীলতার প্রকাশ পাওয়া যায়। এই সংস্থার লাইফস্টাইল বিভাগটিতে পাঠকদের জন্য আরও প্রাসঙ্গিক এবং চিত্তাকর্ষক লেখনী দিয়ে ভরিয়ে তুলেছেন। লেখার প্রতি তাঁর আবেগ প্রতিটি নিবন্ধেই স্পষ্ট, যা প্রকাশনার জন্য অমূল্য সম্পদ করে তুলেছে।"... আরও পড়ুন

পরের খবর

Lifestyleসম্পর্কে আরও বিস্তারিত ও নতুন খবর জানতে ক্লিক করুন। সব ধরনের ব্রেকিং, আপডেট এবং বিশ্লেষণ সবার প্রথম বাংলায় পড়তে ক্লিক করুন Bengali Newsএই সময় ডিজিটাল